পেপার ও প্রিন্টিং খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ একটি চালু পেপার মিল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানিটির উৎপাদন ও বিক্রি বেড়ে যাওয়ার কারণে বাড়তি চাহিদা মেটাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে চালু আছে এমন উপযোগী কারখানা খুঁজে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। নতুন কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান কোম্পানিটির বিদ্যমান উৎস থেকে করা হবে। এজন্য বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটি। এজিএমের তারিখ, সময় ও স্থান পরে জানানো হবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) সোনালী পেপারের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৪০ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬৬ টাকা ২১ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সোনালী পেপারের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭৪ পয়সায়। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬৪ টাকা ৭৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী পেপারের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬৪ টাকা ৯৪ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৪১ টাকা ৩০ পয়সায়।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী পেপারের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫০৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৮৮। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৬৭ দশমিক ৫১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ৮৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।